जुलाई 2026

भाषान्तरদৃষ্টিকোণের পরিবর্তন     Posted: September 1, 2022

लेखिका ডক্টর উপমা শর্মা/  डॉक्टर उपमा शर्मा, अनुवादবেবী সিং কারফরমা

সকাল সকাল পুজোর ফুল তুলতে গিয়ে মিনু মায়ের আওয়াজে ফুল তোলা বন্ধ করে দিল। মা রাগে চিৎকার করছিল। প্রতি বারের মতো এবারেরও নিশানা সেই বৌদি। তাড়াতাড়ি একটা গোলাপ ফুল তুলে মিনু ঘরে ঢুকল।

“ কি হলো মা ? এতো রাগ করছ কেন?”

“তো কি করবো? বল এতো দিন ধরে ঘরের নিয়ম-কানুন কিছু শেখে নি। কোন কাজই ঠিকমতো করতে পারেনা। একে তো মহারানী , এখন চা এনেছে, তাও আবার চিনি কম।” মা রাগান্বিত হয়ে বলল।

“মা , আমার চায়ে তো চিনি ঠিক ছিল, তো তোমার কেন কম লাগল?” মিনু জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে বৌদির দিকে তাকাল। “দিদি! মায়ের চায়ে  চিনি বেশি দিলে আপনার ভাই রাগ করে।” বৌদি ননদকে বলল।

“ এবার আমাকে আমার ছেলের বিরুদ্ধে নালিশ করছে, ‘ও’ মানা করতে পারে কখনও?” মা আরও রেগে গেল।

“মা! বৌদি তো ঠিকই বলছে, বেশি মিষ্টি খেলে তোমার শরীর খারাপ হবে।

“আচ্ছা! এবার বউ বলে দেবে যে সবজিতে কতটা নুন, তেল , মশালা খাবো?” মা ব্যঙ্গ স্বরে মেয়েকে জিজ্ঞাসা করল।

“মা! তুমি হার্টের পেসেন্ট, তুমি তো জানো, এসব তোমার পক্ষে কতটা ক্ষতিকর! ”

“আচ্ছা, দেরী করে ‘ও’ ঘুম থেকে ওঠে, সকালে উঠলে কি আমার অসুখ বেড়ে যাবে?”

“মা! কোথায় দেরী করে ওঠে? আজকাল কোন বাড়ির বউ ভোর পাঁচটায় ওঠে বলো তো? তার ওপর ঋতু কত ছোট বলতো? সারারাত বৌদিকে জাগতে হয়”। মিনু মাকে বোঝাবার চেষ্টা করল।

“আরে এর কিসের দুঃখ, আমাকে বল দেখি……………………… আচ্ছা তুই তোর বৌদির হয়ে এতো ওকালতি করছিস কেন? কাল পর্যন্ত তো আমার ‘হ্যাঁ’ তে ‘হ্যাঁ’ মেলাতিস!” মা খুব আশ্চর্য হয়ে মেয়ের দিকে তাকাল।

হাতে ধরা গোলাপের কাঁটাটা মিনুর হাতে ঢুকে গেল। মাথা নিচু করে মিনু বলল “তখন তো আমি কারোর বৌদি ছিলাম না, মা।”

 

ভাষান্তর-বেবী সিং কারফরমা

गतिविधियाँ

  • सम्पर्क:-

    सुकेश साहनी

    185,उत्सव,महानगर पार्ट–2
    बरेली–243122 (उ.प्र.)


    sahnisukesh@gmail.com

    रामेश्वर काम्बोज ´हिमांशु´

    रचनाएँ भेजने के लिए ई-मेल-:-

    laghukatha89@gmail.com

    विशेष सूचना-:-

    पूर्व अनुमति के बिना लघुकथा डॉट कॉंम की सामग्री का उपयोग नहीं किया जा सकता ।

    केवल स्वीकृत रचनाओं की ही सूचना दी जाती है।

    -सम्पादक द्वय

Design by TemplateWorld and brought to you by SmashingMagazine