जून 2026

भाषान्तरऔर हाथी रो रहा था/আর হাতিটা কাঁদছিল     Posted: December 1, 2025

আনোয়ার শামীম अनवर शमीम

अनुवादः मुरली चौधरी

ছাত্রসংঘের আহ্বানে সেদিন সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল সব কিছু। রাস্তায় পুলিশের টহলগাড়ি ছাড়া আর শুধু অফিসার আর গুটিকয়েক উচ্চপদস্থ লোকের গাড়িই চলছিল। বন্ধ সমর্থক ছাত্রদের দলগুলো তাদের এই সাফল্যে বেশ গর্বিত। প্রতিদিন রোজগার করা দিনমজুরদের মুখে গভীর উদ্বেগের ছাপ।

জনজীবন সম্পূর্ণ স্তব্ধ হয়ে পড়েছিল।

দিনমজুর রমজানি চিঁড়ে-গুড় খেয়ে কুঁড়েঘরের মাটিতে শুয়ে ছিল। খপরেলের ছাদ দিয়ে সূর্যের ছোট ছোট টুকরো রশ্মি তার গায়ে পড়ছিল এখানে-ওখানে। কিছুক্ষণ পর এক দুষ্টু রশ্মিখণ্ড তার চোখে এসে পড়ল, সে বিরক্ত হয়ে কাত হল। ঘুমে ভালো কিছু স্বপ্ন দেখবে ভাবছিল, ঠিক তখনই মুনু দৌড়ে এসে তাকে নাড়িয়ে বলল—

“আব্বা, হাতি… হাতিওয়ালা এসেছে!”

“আরে এসেছে তো এসেছে, তুই যা, দেখে আয়।” সে না ঘুরেই ঝাঁঝালো গলায় বলল।

“আব্বা, আমিও হাতির পিঠে উঠব, টাকা দাও।”

“টাকা নাই বাপ।” রমজানি লজ্জিত মুখে উঠে বসে ছেঁড়া ঝুলঝুলে জামার ফাঁকা পকেটগুলো উলটে দেখাল।

“না, না, আমি হাতির পিঠে উঠব—টাকা দাও আব্বা, টাকা দাও।”

মুনু একগুঁয়ে ছেলের মতো কান্নাজড়ানো গলায় বলতে লাগল। এতে রমজানির রাগ উঠল। সে মুনুর হাত চেপে ধরে টেনে এনে দরজার কাছে দাঁড় করিয়ে দিল, “এই জন্মে হাতি দেখে নে, পরের জন্মে চড়বি বুঝলি! খাওয়ার ঠিকানা নাই, আর হাতির পিঠে উঠবে!”

“চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাক, নইলে এমন মার দেব যে মনে থাকবে!”

রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে রমজানি ঘরের ভেতরে চলে গেল।

মুনু বাবার সেই রাগী চেহারা দেখে চুপ মেরে গেল। দরজার ধারে দাঁড়িয়ে একদৃষ্টে সেই মহারাজা হাতিটাকে দেখতে লাগল। পাড়ার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন বাচ্চারা হাতির পিঠে চড়ে খিলখিল করে হাসছে, তাদের বাবা-মার চোখেও আনন্দের ঝিলিক।

কিছুক্ষণ পর হাতিটা চলে গেল। ছেলেমেয়েরা আবার তাদের খেলায় ফিরে গেল, তারপর একে একে বাড়ি।

রাস্তাটা ফাঁকা হয়ে গেল। তখন দুপুর, খাবার সময়।

মুনু ফাঁকা রাস্তাটার দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে ক্লান্ত হয়ে পড়ল, অবশেষে ঘরে ঢুকে পড়ল। রমজানি তখনও দেয়ালের দিকে মুখ করে শুয়ে। মুনু চুপচাপ দেয়ালে হেলান দিয়ে বসে মাটির উপর আঙুল দিয়ে বেখেয়ালে লাইন টানতে লাগল।

রমজানি হালকা করে ফিরে তাকাল। নিজের ছেলেকে এত বিষণ্ণ মুখে বসে থাকতে দেখে বুকটা হুহু করে উঠল তার। সে তিলমিলিয়ে উঠল। কোনো রকমে উঠে দাঁড়িয়ে নিজেই হাতির মতো গর্জন করতে করতে দুলে দুলে মুনুর সামনে এসে দাঁড়াল।

উদাস মুনু বাবাকে হাতি সেজে দেখে খুশিতে লাফিয়ে উঠল, পাখির মতো ফুদকতে ফুদকতে তার পিঠে চেপে বসল—

“চলো আমার হাতি, পাটনা চলো,

চলো আমার হাতি, দিল্লি চলো,

তাড়াতাড়ি চলো, তাড়াতাড়ি চলো—আমার হা-থি!”

রমজানি, সেই ‘হাতি’, মুনুকে পিঠে নিয়ে কুঁড়েঘরের ভিতর ঘুরে বেড়াতে লাগল।

মুনুর ঠোঁটে হাসি ফুটে উঠল—

আর হাতিটা কাঁদছিল।

गतिविधियाँ

  • सम्पर्क:-

    सुकेश साहनी

    185,उत्सव,महानगर पार्ट–2
    बरेली–243122 (उ.प्र.)


    sahnisukesh@gmail.com

    रामेश्वर काम्बोज ´हिमांशु´

    रचनाएँ भेजने के लिए ई-मेल-:-

    laghukatha89@gmail.com

    विशेष सूचना-:-

    पूर्व अनुमति के बिना लघुकथा डॉट कॉंम की सामग्री का उपयोग नहीं किया जा सकता ।

    केवल स्वीकृत रचनाओं की ही सूचना दी जाती है।

    -सम्पादक द्वय

Design by TemplateWorld and brought to you by SmashingMagazine