ডা. জেন্নী শবনম , অনুবাদ দক : আশা বর্মন –अनुवादक-आशा बर्मन
আমার লেখাটা সসম্মানে একটি নামকরা মাগাজিনে ছাপা হয়েছিল ।
আমি মুগ্ধ হয় সে ওই লেখার পাতায় হাত বুলিয়ে দিলাম । একেবারে যেমন এক মা নিজের ছোট্ট সন্তান কে আদর করে । ঠিক সেই সমযে আমার চোখের সামনে দু মাসের আগের ঘটনা ভাসতে লাগল ।
যে মুহূর্তে আমি আমার কম্পিউটারে পাসওয়ার্ড টাইপ করলাম ও নিজের কম্পিউটার বন্ধ করে আজে বাজে কথা বলতে আরাম্ভ করল। আমি নিজের কাজ বন্ধ করে, তখন ওর কথা শুনতে লাগলাম ।
তারপরে ও কথা শেষ করে আবার কিছু লিখতে বসল ।
আধ ঘণ্টা পর, আমি আবার কিছু লিখতে আরম্ভ করি । এই দেখে ও আমার দিকে ই ভাবে তাকাল, যেন আমি নিজের এক ছেলেবন্ধু সঙ্গে আলাপ করছি ।
আমি বললাম, “আমাকে একটা পত্রিকায় একটি লেখা পাঠাতে হবে।“
ও বিদ্রূপভাবে আমার দিকে এইভাবে তাকাল যেন আমি একজন বুদ্ধিহীন, আমি আর কি লিখতে পারি ।
ও প্রশ্ন করল, “বিষয়টা কী?”
বিষয়টা জেনে বলল, “আমি লিখে দিচ্ছি, তুমি নিজের নামে পাঠিয়ে দাও।”
এতো সহজ না, একটু জেনে বুঝে লিখতে হয়।“
আমি বললাম , “যদি তুমি লিখবে, তো তুমি নিজের নামে পাঠিয়ে দাও।”
সেই রাত্রি তে আমি আমার লেখা পুরো শেষ করে ম্যাগাজিনে পাঠিয়ে দিইলাম ।
সেই ম্যাগাজিনটা এখনো আমার টেবিলে রাখা আছে । কী করি? ওকে দেখাব?
ভাবলাম, যা ..কোনো লাভ নেই। ম্যাগাজিন এখনো আমার টেবিলে পড়ে আছে ।
ও যখন দেখবে, দেখুক …….
এটা ভাবতেই আমার আত্মবিশ্বাস আর বেড়ে উঠল ।
-0-